চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৯

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৯।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:  চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কলেজের এক অধ্যাপকের কক্ষ ভাঙচুরসহ বেশ কয়েকটি জানালার কাঁচ ও ফুলের টব ভাঙচুর করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সভাপতি মাহমুদুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিকের অনুসারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয় বলে জানা যায়।

আহতদের মধ্যে সাফায়েত হোসেন রাজু (গণিত চতুর্থ বর্ষ), হামিম রাফসান (এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষ), জাহেদুল অভি (ইসলামের ইতিহাস দ্বিতীয় বর্ষ), ওয়াহিদুল রহমান সুজন (স্নাতক তৃতীয় বর্ষ), আলিফ জাবেদ (ইতিহাস প্রথম বর্ষ), জিয়াউদ্দিন আরমান (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ), নাঈম (ইতিহাস বিভাগ) ও মনিরুজ্জামানের নাম জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে জিয়াউদ্দিন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

জানা যায়, সকালে কলেজের ইতিহাস বিভাগে কর্মী সংগ্রহের জন্য জুনিয়রদের কাছে যান মাহমুদুল করিমের অনুসারীরা। একই সময়ে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরাও ইতিহাস বিভাগে কর্মী সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়। এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোছাম্মৎ নাজমা বেগমের কক্ষটিও ভাঙচুর করেন কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এই ব্যাপারে সুভাষ মল্লিক বলেন, সকালে ইতিহাস বিভাগের ক্লাসে গেলে মাহমুদের সমর্থকরা আমাদের কর্মীদের উপর হামলা করে। এতে মাথা ফেটে যায় কয়েকজনের। এ ঘটনায় আমার চার কর্মী আহত হয়েছেন। সন্ত্রাসীদের কীভাবে দমন করতে হয় সেটি আমার জানা আছে।

অন্যদিকে মাহমুদুল করিম বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে বহিরাগতরা। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপরও হামলা করেছে। এতে রাজসহ কয়েকজ সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের মজুমদার বলেন, দুপুরে হঠাৎ ছাত্রলীগের দুই পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের দিকে তেড়ে যায়। একে অন্যের দিকে পাথর ছুড়ে মারেন। এতে কয়েকজন সামান্য আহত হতে পারেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।