কাল ফটিকছড়ি পৌরসভার ভোট গ্রহণ

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন সিসি ক্যামেরা স্থাপন

আগামীকাল ২রা নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফটিকছড়ি পৌরসভা নির্বাচন।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: আগামীকাল ২রা নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফটিকছড়ি পৌরসভা নির্বাচন। উপজেলা সদর নিয়ে গঠিত ২৬ বর্গকিলোমিটারের এ পৌরসভার এটি তৃতীয় নির্বাচন। নির্বাচনে ৩৬ হাজার ২৪৬ জন ভোটার বুধবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বিশেষ করে ইভিএমে ভোট গ্রহণ এবং সিটিটিভি ক্যামেরা স্থাপনে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ  লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গতকাল সোমবার ছিল প্রচারণার শেষ দিন। এদিন মেয়র ও কাউন্সিলর পদের প্রার্থীরা শেষ মুহুর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন।

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৩ জন। তারা হচ্ছেন; আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র মো. ইসমাঈল হোসেন (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এএসএম মিনহাজুল ইসলাম জসিম (মোবাইল ফোন) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী  কামাল পাশা (নারিকেল গাছ)।

এছাড়া সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হলেও বাকী দুই সংরক্ষিতসহ সবকটি  ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, মেয়র পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও মূলত লড়াই হবে নৌকা ও মোবাইলের মধ্যে। এমন আভাস মিলল নির্বাচনী এলাকা ঘুরে।

অপরদিকে, নৌকা মেয়র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় দুই ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার ও রোববার তাঁদের এ নোটিশ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল আলম।

অভিযুক্ত দুজন হলেন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পাওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুন ও পোলিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার। দুজনই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. ইসমাইল হোসেনের প্রচারণায় অংশ নেন। এ নিয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল আলম বলেন, ‘নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তা প্রার্থীর প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিযোগ পেয়েছি। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল আলম বলেন, ভোট গ্রহণের সকল প্রস্তুতি অনেকটা শেষ পর্যায়ে। এবারের নির্বাচনে ১৯টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেও সিসিটিভি থাকছে। নির্বাচনে একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সহ মোট দশজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং অফিসার। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি দুই প্লাটুন বিজিবি সহ র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন বদ্ধ পরিকর বলে জানান তিনি।