কালুরঘাট সেতু মরণ যন্ত্রণায় পরিণত হলেও কতৃপর্ক্ষ ব্যবস্থা নিচ্ছে না

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের প্রতি সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করছে, কালুরঘাটে মরণ যন্ত্রণা শুরু হয়েছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ব্রিজের মাঝখানে কোনো যান বিকল হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কথাগুলো বলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মৃনাল চৌধুরী।

তিনি আরও বলেন, সেতু নির্মাণের দাবিতে অক্টোবরে পূর্ব রেলের সদর দপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি, নভেম্বর মাসে বোয়ালখালী ও পটিয়ার মানুষদের নিয়ে বোয়ালখালী থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত পদযাত্রা। এরপরও নির্মাণ কাজ শুরু না হলে সেতু অবরোধের ঘোষণাও আসবে বলে হুশিয়ারি দেন তিনি।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল কালুরঘাট সেতুর পশ্চিম পাড়ে রেলসহ সড়ক সেতুর দাবিতে পদযাত্রা উপলক্ষে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) চট্টগ্রাম জেলা কমিটি আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

পার্টির বোয়ালখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক কানাই দাশের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্যে বক্তারা বলেন, ‘সেতু যদি করতে না পারেন তবে কালুরঘাট সেতুর ইজারা দেওয়া বন্ধ করে দেন। বৃট্রিশ আমলের সেতু রেখে আপনারা উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছেন আর ভাবছেন মানুষ কিছুই বোঝে না। গরীবের টাকা আপনারা উন্নয়নের নামে লুটপাট করবেন, মন চাইলে কোটিপতির কোটি কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করে দেবেন- তা হবে না।’

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল নবী, সাধারণ সম্পাদক অশোক সাহা, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মছিউদ্দৌলা, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, উত্তম চৌধুরী, অমৃত বড়ুয়া, ন্যাপ কমিউনিসট পার্টি ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনী মুক্তিযোদ্ধা অমল কান্তি নাথ, শিক্ষক নেতা উত্তম চৌধুরী, আমির হোসেন, পটিয়া উপজেলা সিপিবির সভাপতি পুলক দাশ, স্বপন দত্ত, বোয়ালখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক জামাল আবদুল নাসের, সহ-সাধারণ সম্পাদক সেহাব উদ্দিন সাইফু, নজরুল ইসলাম আজাদ, মোহাম্মদ আলী,ডা. অসীম কুমার চৌধুরী, অনুপম বড়ুয়া পারু প্রমুখ।

কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম পাড়ে সমাবেশ শেষে কালুরঘাট সেতু দিয়ে পদযাত্রা করে কালুরঘাট সেতুর পূর্ব পাড়ে জমায়েত হন নেতৃবৃন্দ। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এ পদযাত্রায় অংশ নেন।