কালুরঘাটে সেতু হবে না কেন

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেছেন, পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু টানেল যদি হতে পারে তাহলে কালুরঘাটে সেতু হবে না কেন? আমি সত্বর কালুরঘাট সেতুর কাজ শুরু করার দাবি জানাচ্ছি। এটি প্রয়াত সাংসদ মঈন উদ্দিন খান বাদলের শেষ ইচ্ছা। এই কালুরঘাট সেতুটি হলে তার আত্মা শান্তি পাবে।

গতকাল বিকালে বোয়ালখালী পৌর সদরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত প্রয়াত সংসদ সদস্য মঈন উদ্দিন খান বাদলের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাদলের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, মঈন উদ্দিন খান বাদল এলাকার উন্নয়নের প্রতি খুবই আন্তরিক ছিলেন। আমি ১৯৭০ সাল থেকে সাতবার এমপি নির্বাচিত হয়েছি। সংসদে প্রয়াত সাংসদ বাদলের মতো তুখোড় যুক্তি সহকারে সারগর্ভ বক্তব্য খুব কমই শুনেছি। সাংসদ বাদল ইংরেজি ও বাংলায় সমানতালে কথা বলতে পারতেন। তিনি দেশের মঙ্গলের জন্য বলতেন। সরকার ভুল করলে তা-ও বলতেন। তার বক্তব্য প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই শুনতেন।

ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন বলেন, বাদল তার মৃত্যুর কয়েকদিন পূর্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একান্তে কালুরঘাট সেতুর কথা বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার সামনেই বাদলকে কথা দিয়েছিলেন সেতুটি তিনি করবেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। সেখানে আমরা আবারও প্রধানমন্ত্রীকে কালুরঘাট সেতুর দাবি জানাব।

স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম নুরুল ইসলাম। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. সেলিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এসএম আবুল কালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মদ রাশেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. কাজী খসরুল আলম কুদ্দুসী, বাদলের সহধর্মিনী সেলিনা বাদল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন ও সাবেক কাউন্সিলর কপিল উদ্দিন।

বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট সেলিম চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম রাজা, এমএস আলম, যুবলীগ নেতা প্রসাদ দাশ বাবু, উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক, ছাত্রলীগ নেতা খালেদ মাসুদ ও কিষাণ চৌধুরী পলাশ।