কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা ফেরাতে শীঘ্রই ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: পার্বত্যমন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং এমপি
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

আলমগীর মানিক, রাঙামাটি প্রতিনিধি: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম হ্রদ রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা ফিরিয়ে এনে অত্র অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনের মানোন্নয়নে শীঘ্রই নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাপ্তাই হ্রদে ড্রেজিং কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর ঊশৈসিং এমপি।

মন্ত্রী বলেন, কাপ্তাই হ্রদে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হলে আমাদের জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, হ্রদে মৎস্য সম্পদ বাড়বে এবং নৌ যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বুধবার (২৫মে ) রাঙামাটি জেলা পরিষদের আয়োজন পরিষদের নিজস্ব সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদের সদস্য, কর্মকর্তা এবং হস্তান্তরিত বিভাগ সমূহের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর আরো বলেন, ”পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ দুই যুগের সমস্যা নিরসনে জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একমাত্র তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, সেসময়ে পাহাড়ে চলমান সমস্যাটি একটি রাজনৈতিক সমস্যা, এটাকে রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তিনি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চুক্তি করেন। যার ফল এখন পার্বত্যবাসী ভোগ করছেন। একসময় পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছুই ছিলনা।”

তিনি আরো বলেন, ”বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে মেডিকেল কলেজ, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা ক্ষেত্রসহ প্রতিটি সেক্টরে বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সরকারের চলমান এই উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিটি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।”

রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সতিন্দ্র নাথ রায়, জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাস খীসা, কৃষি বিভাগের উপপরিচালক তপন কুমার পাল, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দে সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বক্তব্য রাখেন।