কাগজে আছে, বাস্তবে নেই: মেয়র আতিক

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: ঢাকা উত্তর সিটি করেপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, আগে বলেছি ‘নো মাস্ক, নো এন্টি’, তেমনি এখন বলব ‘নো সেফটি, নো ওয়ার্ক’। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা যেন শুধু কাগজে কলমে না থাকে। সব উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা এখানে উপস্থিত। আপনাদের টনকটা একটু নড়ান। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া সকলের দায়িত্ব। আমাদের দায়িত্ব আমাদের পালন করতে হবে।

রবিবার (২১ আগস্ট) গুলশান নগর ভবনে এই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিআরটির সহ সকল উন্নয়ন কাজ চলবে। তবে, প্রত্যেককে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক না থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

বিআরটি, মেট্রোরেল, এলিভেটর এক্সপ্রেস ওয়েসহ যত রকমের উন্নয়ন প্রকল্প চলছে এসব কাজ বন্ধ করা যাবে না। তবে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমি ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ যেকোনো দিন যেকোনো স্থানে উপস্থিত হব। যদি দেখতে পাই সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি। তাহলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, আমি চাই নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে যেন আমাদের কোনো কাজ বন্ধ করে দিতে না হয়। সব কাজেই নিরাপত্তা নিশ্চিত আপনাদের করতে হবে। সব নিরাপত্তার বিষয়ই কাগজে-কলমে, চুক্তিতে আছে। এগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। এগুলো নিশ্চিত করুন। তাহলে আপনাদের কাজ করতে কোনো সমস্যা হবে না। কাজ বন্ধ করে দেব না, কাজ চলবে। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সবার আগে। আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত এসব পরিদর্শন করবে।

গত ১৫ আগস্ট রাজধানীর উত্তরায় বিআরটির ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন। পরের দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়া সকল কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। এসব সব উন্নয়ন প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের উদ্যোগ গ্রহণ করতে ডিএনসিসির সঙ্গে বসতে বলেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (রবিবার) সবাইকে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজার সঞ্চালনায় সড়ক পরিবহন ও  মহাসড়ক বিভাগ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সেতু কর্তৃপক্ষ, ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি, তিতাস গ্যাস, ঢাকা বিআরটি কোম্পানি, এমআরটি লাইন ১-৫ এসব সংস্থার পক্ষ থেকে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।