কচ্ছপিয়াতে জেল ফেরত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা বেপরোওয়া!

কচ্ছপিয়াতে জেল ফেরত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা বেপরোওয়া!
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রামু প্রতিনিধি: সম্প্রতি সময়ে টেকনাফের পরে মরন নেশা ইয়াবার ২য় স্বর্গ রাজ্য হিসেবে পরিচিত রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন ও তার পার্শ্ববর্তী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ফুলতলী, ঘুমধুমসহ সিমান্ত এলাকা। ওখানকার ইয়াবা ও মাদক মামলার জেল ফেরত আসামীরা আবারও সে ইয়াবা বাজারে বেপরোওয়া হয়ে উঠেছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।

প্রতি নিয়ত তারা সিমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিচ্ছে নানা কৌশলে। আর এসব পাচার কাজে ব্যবহারিত হচ্ছে বিলাশ বহুল গাড়ি ও নামি-ধামী মোটর সাইকেল।

সুত্রে জানায়, কচ্ছপিয়ার ইউপি সদস্য ইয়াবা মামলার জেল ফেরত আসামী হাজির পাড়া বালুবাসা এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন ও ফাক্রির কাটার আবদুর রহমান জেল থেকে বের হয়ে আবারও সেই পূর্বে ব্যবসা হরদম চালিয়ে যাচ্ছে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানায়, কচ্ছপিয়াতে ইয়াবা মামলায় জেল ফেরত অন্য আসামীরা হলেন, কচ্ছপিয়া ১ নং ওয়ার্ড় এলাকার মৌলভি সামশু, হাজির পাড়ার আলী আহাম্মদ, গর্জনিয়া বাজারের স্বর্ন দোকানী কাজল, হাজির পাড়ার জামসেদ, মিয়াজির পাড়ার আনসারী মেম্বারের ভাই মুনিয়া, ভিলিজার বদিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি স্কুল পাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ নুরুল আফসার, মৌলভির কাটা এলাকার আবদুর শুক্কুরের ছেলে মোঃ আয়াত উল্লাহ (২৮), গর্জনিয়ার পিন্টুসহ আরো ২০/২৫ জন মাদক মামলার জেল ফেরত আসামীরা নতুন নতুন সেন্ডিকেট তৈরি করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে দায়সারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ প্রদীপ কান্ডের পর কক্সবাজার জেলায় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে পুলিশের কড়াকড়ি না থাকায় দিন দিন আরো বেপরোওয়া হয়ে উঠে এসব বিয়ারীরা। স্থানীয় একটি সুত্র জানায়, কচ্ছপিয়াতে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে ৪/৫ জন মুখোশধারী ভালো মানুষ।

আর এসব মুখোশধারীদের আইনের আওতায় আনলে তলের বিড়াল বের হয়ে আসবে বলে জানান এলাকার হাজারও মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, উল্লেখিত এলাকাতে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সমাজের মুখোশধারী ভালো লোক ও খুবই অল্প সময়ে প্রতিষ্ঠিত। গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি পরিদর্শক মাসুদ রানা জানিয়েছেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীসহ সব ধরনের অপরাধীদের বিষয়ে জিরো ট্রলারেন্স নীতি অনুসরন করে আসছে পুলিশ। জেল ফেরত আসামীরা যদি আবারও পূর্বের কাজে ফিরে যায় তাহলে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, অপরাধী যে হোক না কেন সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।