কক্সবাজারে এলএ শাখার সার্ভেয়ারের তড়িঘড়ি করে চেক হস্তান্তর চেষ্টা!

ছবি:সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

কক্সবাজার ব্যুরোঃ আদালতে মামলা চলমান ও নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও চেক হস্তান্তরের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সাইমা ও সার্ভেয়ার মুহাম্মদ শরিফের বিরুদ্ধে।

মামলার বিবাদী পক্ষ নুরুল কবির ও রাশেদ নেওয়াজ থেকে বিশেষ সুবিধা নিয়ে বিচারাধীন মামলার চেক হস্তান্তরের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এলএও।

রোববার সকালে ভুক্তভোগী মনজুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এলও অফিসে সার্ভেয়ার শরিফের সাথে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্মকতার সাথে কথা যোগাযোগ করতে বলেন।

মনজুর আলম আরো জানান, সার্ভেয়ার মুহাম্মদ শরীফের কক্সবাজার এলও অফিসে কর্ম দিবসের শেষ দিন রোববার। মূলত সে কারনে তাড়াহুড়ো করে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের মাধ্যমে মামলা চলমান থাকা সত্বেও চেক হস্তান্তরের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ভুক্তভোগী মনজুর আলম বলেন, খুটাখালী মৌজার বিএস ৪৩৩ খতিয়ানের ৩৮৪, ৩৮৫, ৩৮৬ ও ৩৮৮ নং দাগাদির জমির রোয়েদাদ নং ২১, ২২, ২৩, ২৫, ৩৪, ৩৬, ৩৯, ৪০ ও ৪১ অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকার দাবিদার মামলার বাদী আমরা বাদীপক্ষ।এবিষয়ে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে মামলা বিচারাধীন ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।যার (মামলা নং-২৫৩/১৯) যা পরবর্তীতে চকরিয়া সহকারী জজ আদালতে বদলি হয় (৭৫৯/২১) ও অপর (৭৩/১৭) নং মামলা লিপিবদ্ধ হয়।

 

আদালতে মামলা থাকার পরেও আদেশ অমান্য করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মামলার বিবাদীপক্ষ নুরুল কবির গং ও রাশেদ নেওয়াজকে চেক হস্তান্তরের অপচেষ্টা চালাচ্ছে এলও অফিসের অসাধু সিন্ডিকেট।

আমি এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, নতুবা আমার অপুরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রেভিনিউ) আমিন আল পারভেজ জানান, বিষয়টির আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।