একদিনে ৮০৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস টেকনাফ স্থল বন্দরে

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

টেকনাফ স্থল বন্দরে বৃহস্পতিবার ৮০৩ দশমিক ৭৯৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। প্রথমে মিয়ানমারে পেয়াঁজের প্রতি টনের দাম ৫’শ ডলার ছিল। হঠাৎ দেশে পেঁয়াজের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে মিয়ানমারে ৬শ থেকে ৭শ ড্লারে এসে দাড়িয়েছে এবং সে দেশে দাম বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি কমে আসছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

টেকনাফ স্থল বন্দরের আমদানি কারক এম এ হাশেম, যদু চন্দ্র দাশ ও শওকত আলম বলেন, মিয়ানমারে পেঁয়াজের দাম বাড়লেও, দেশের বাজারে দাম কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চিন্তিত। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের চিন্তা করা প্রয়োজন।

তারা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যেভাবে পেয়াজের দাম নির্ধারন করছেন, এভাবে হলে পেয়াঁজ আমদানী কমে যাবার সম্ভবনা রয়েছে। টেকনাফ শুল্ক ষ্টেশন সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) মিয়ানমার থেকে আসা টেকনাফ স্থল বন্দরে ৮০৩ দশমিক ৭৯৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। খালাসকৃত পেয়াঁজ সমূহ ট্রাক ভর্তি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে খালাসের অপেক্ষায় আরো নাফ নদীতে আরো ৭৪২ দশমিক ৫২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বুঝায় জাহাজ ও ট্রলার অপেক্ষমান রয়েছে।

বন্দরে পর্যাপ্ত শ্রমিক ও অবকাঠামোর অভাবে এ সব পেয়াঁজ খালাস করা সম্ভব হচেছনা বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। তবে চলতি মাসের তিন দিনে ১৯৫৮ দশমিক ২৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। এছাড়া গত সেপ্টেম্বর মাসে খালাস হয়েছে ৩৫৭৩ দশমিক ১৪১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়। তবে এত বিপুল পরিমান পেয়াঁজ আমদানী হলেও স্থানীয় বাজারে পেয়াঁজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসছেনা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে টেকনাফ বাজারে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেয়াঁজ ৭০ টাকায় বিক্রি হচেছ। সরকার পেয়াজের দাম কমিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ নিলেও তা কাজে আসছেনা। জেলায় বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনশীল রাখতে ভ্রাম্যান অভিযান পরিচালনা করলেও এখানে অভিযান ছোয়া লাগেনি। বাজার গুলো মনিটরিং না করলে পেয়াঁজের দাম কমে আসার সম্ভবনা নেই বলে জানা স্থানীয় লোকজন।

খুচরা কাচাঁ মালামাল বিক্রেতা মো. ফায়সাল বলেন, আমরা ৬৫ টাকায় পেঁয়াজের কিনে এনে ৭০ টাকা বিক্রি করছি। এর চেয়ে কম বিক্রি করলেও লোকসানে গুনতে হবে। টেকনাফ স্থল বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন, ৮০৩ দশমিক ৭৯৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করে দেশের বিভিন্ন জায়াগায় পৌছে যাচ্ছে। পেয়াঁজের সংকট মোকাবেলায় ব্যবসায়ীদের আরো আমদানী বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করা হচেছ।