উন্নত দেশে রুপান্তরিত হতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই- জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গাদের আগমনে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগোষ্টীর সহায়তায় উদ্যোগ নিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর)।

বুধবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পযন্ত কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন ইউএনএইচসিআর অর্থায়ানে নির্মিত টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজর পাড়া উচচ বিদ্যালয় ও হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্ষংখালী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুইটি সেমিপাকা ভবন ও ওয়াস ব্লক উদ্ধোধন, নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের পাশে অবস্থিত স্থানীয় জনগোষ্টীর মাঝে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা সরবরাহ উদ্ধোধন করেন। এছাড়া জাদিমুরা রোহিঙ্গা শিবিরের পাশে অবস্থিত স্থানীয়দের মাঝে দুইটি নির্মাধীন বাড়ী পরির্দশন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতিসংঘ শরনাথী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কক্সবাজারে এর হেড অব অপারেশনস মারিন ডিন কাইদুমচাই, টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল আলম, উপজেলা নিবাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিউল হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান মৌলভী ফেরদোস আহাম্মদ, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) কক্সবাজার সিনিয়র লিয়াজো অফিসার মোহাম্মদ বায়েজিদ, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। ইউএনএইচসিআর বলেন, রোহিঙ্গাদের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্টীর সহায়তায় আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে টেকনাফে দুইটি সেমিপাকা স্কুল ভবন নিমান করা হয়েছে। হ্নীলার নয়াপাড়া ও জাদিমুরা রোহিঙ্গা শিবিরের পাশে অবস্থিত স্থানীয় ২১টি পরিবারকে উন্নত মানের বসত ঘর তৈরি করে দিচিছ। তিনি বলেন, পাশাপাশি ২০ হাজার পরিবারের মাঝে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা সরবরাহের টাগেট নিয়েছি। ইতিমধ্যে ৬শ পরিবারকে প্রদান করা হয়, আরো ৭৮০ পরিবারের মাঝে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বিতরন করা হবে। এ কাযক্রমে আমরা দরিদ্র জনগনের সহায়তা করতে চাই। এর ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মঙ্গলের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মাঝে শান্তিপূন সহাবস্থান রক্ষা করা। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, উন্নত দেশে রুপান্তি পৌছতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। ফলে প্রত্যক গ্রামে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সারা দেশে মাদক পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু বদনাম হচ্ছে টেকনাফের।

এই বদনাম মুচতে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধান মন্ত্রী মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। ফলে স্থানীয়দের রোহিঙ্গার সঙ্গে সংঘাতে না জড়ানোর নির্দেশ দেন। এছাড়া রোহিঙ্গাদের কারনে যে পরিবেশ ক্ষতি হয়ে হয়েছে তা অতুলনীয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরো বেশি আন্তজার্তিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করছে ইউএনএইচসিআর।