উখিয়ায় ৪ জনকে হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব রত্না গ্রামে একই পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধাসহ ৪ জনকে নারকীয় হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ২৬ সেপ্টেম্বর উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব রত্না গ্রামে একই পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধাসহ ৪ জনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

স্হানীয়রা বলেছেন দ্রত হত্যা কান্ডের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। নিহতের এক নজর দেখার জন্য বিপুল সংখ্যাক উৎসুক জনতার ভীড় লেগে ছিল। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে রোকেন বড়ুয়ার বাড়ির রুমে গলাকাটা অবস্থায় মৃত প্রবীণ বড়ুয়ার স্ত্রী সখি বড়ুয়ার লাশ দেখতে পাই স্থানীয়রা। পরে বাড়ির ভিতরে অন্য একটি রুমে রোকেন বড়ুয়ার স্ত্রী মিলা বড়ুয়া, শিশু অমিন বড়ুয়া ও শিশু সনি বড়ুয়াসহ তিনজনের গলাকাটা অবস্থায় লাশ পাওয়া যায়।

স্থানীয় রত্নাপালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোক্তার আহমদ হত্যাকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বাড়ির সিঁড়ি ঘর দিয়ে প্রবেশ করে এই হত্যাকান্ড সংগঠিত করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এই হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। এ ব্যাপারে রত্নাপালং ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চৌধুরী বলেন, এধরনের হত্যাকান্ড র্মমান্তিক।দোষীদের শাস্তির দাবী জানান। বৃহস্পতিবার সকাল এগারটার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন ও জেলা পুলিশ সুপার এবি এম মাসুদ হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন,উখিয়া সাকেল নিহাদ আদনান তাইওয়ান,উখিয়া উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতা নিকারুজ্জামান চৌধুরী.উখিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর,উখিয়া থানার ওসি তদন্ত নুরুল ইসলাম। উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর ৪ জনের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ এ বি এম মাসুদ হোসেন বলেন, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড হতে পারে।হত্যাকান্ডের অনেক ক্লু পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এসব ক্লু প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। খুব শিঘ্রই হত্যাকান্ডের মূল ক্লু করা যাবে। তিনি আরো বলেন সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে পিপিআই এর ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে পৌছেন। স্হানীয়রা জানিয়েছেন ঘরের ভিতর খুন হয়ে থাকা প্রতিটি লাশের গলায় জবাই চিহ্ন রয়েছে। খুন হওয়া ঘরের ভিতর টেলিভিশন অন ছিল। নাস্তার প্লেট ছিলো বাড়ির দরজা জানালা বন্ধ ছিল। প্রসঙ্গত,২৬ সেপ্টেম্বর উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পূর্ব রত্না গ্রামে একই পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধাসহ ৪ জনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হলেন উখিয়ার পূর্ব রত্না গ্রামের মৃত প্রবীণ বড়ুয়ার স্ত্রী সখি বড়ুয়া (৬৫), রোকেন বড়ুয়ার স্ত্রী মিলা বড়ুয়া (২৪), শিশু রবিন বড়ুয়া (৫) ও শিশু সনি বড়ুয়া (৬)।