ঈদগাঁওতে সম্পত্তি দখলে নিতে ছোট ভাইকে বড় ভাইয়ের হুমকি!

ঈদগাঁও উপজেলা প্রেস ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মলনে ব্যবসায়ী সাদ্দাম
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

ঈদগাঁও প্রতিনিধি: কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদের বাজার এলাকার বাসিন্দা ও বাঁশঘাটা সড়কের সাদ্দাম এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী সাইয়েদ মাহমুদ সাদ্দামকে প্রাননাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।

জোর করে দোকানপাট, ঘরবাড়ি এবং মিল দখল করতে না পেরে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবী ভূক্তভোগী সাদ্দামের।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) ঈদগাঁও উপজেলা প্রেস ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মলনে ব্যবসায়ী সাদ্দাম বলেন, অভিযুক্ত আবুল কালাম তাঁর আপন বড় ভাই। উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত ঘরবাড়ি, দোকান এবং মিল নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার সিনিয়র সহাকারী জজ আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যার নং- অপর ১১৯৮ / ২০২১।

ওই মামলা তুলে নিতে এবং দোকানপাট ও মিল, ঘরবাড়ি জবর দখল করার কুমানসে গত ১৭ জুন প্রকাশ্য দিবালোকে আবুল কালামের নের্তৃত্বে তার ছেলে শহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আরো অনেকে লোহার রড, লাঠিসোটা এবং দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার মরিচ ও হলুদ গুঁড়া করার মিলের সামনে এসে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।

আমি এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা একযোগে আমাকে মারার জন্য উদ্যত হয়। আমার শোর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে কোনমতে রক্ষা করে।

পরে বিবাদীরা আমাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিতে দিতে স্থান ত্যাগ করে। এ ঘটনায় জীবন ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে উল্লিখিতদের বিবাদী করে ঈদগাঁও থানায় গত ৪ জুলাই আমি সাধারন ডায়েরী করেছি। যার নং-১২৭।

সাদ্দাম জানান, আবুল কালাম মুলত: একজন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী। অন্যত্র জমি কিনে দেওয়ার নাম করে কয়েকবছর পূর্বে বোয়ালখালী মৌজার বিএস ৬৪০ নং (আমার নামে প্রচারিত) খতিয়ানের দাগ নং ১৩২ এবং ১৩৩ হতে সে আমার সত্ব দখলীয় ৮.১৪ শতক জমি জবর দখল করে ঘর তৈরী করেছে। অথচ আজতক সে আমার জমি ফেরত দেয়নি। বর্তমানে আমার মশল্লা গুঁড়া করার মিলের জায়গাটিও তার বলে প্রচার করে বেড়াচেছ। জমিটি আমি গত ০৮/০১/২০১৯ সালে ৭৯ নং দলিলমুলে ১শতক এবং আমার পিতা হতে ১.২৮ শতক ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছি।

দলিলের বিপরীতে আমার নামে বিএস ১১১৮১ নং খতিয়ানও প্রচার আছে। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও কালাম আমাকে ধর্ষনসহ নানা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে অহেতুক হয়রানি করে আসছে।

এমনকি সে আমার মরহুম বাবাকেও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করেছে। কিন্ত বিজ্ঞ আদালত তার দায়েরকৃত ওইসব মিথ্যা মামলা থেকে বারবার আমাকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এসব হয়রানি থেকে বাঁচতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন ব্যবসায়ী সাদ্দাম।