আগুনের এক মাসেও কনটেইনার ফেরত পাননি ব্যবসায়ীরা

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: আগুনের এক মাসেও বিএম ডিপোর অক্ষত ৮শ কনটেইনার পণ্য ফেরত পাননি রপ্তানিখাতের ব্যবসায়ীরা।

রোববার (৩ জুলাই) থেকে পণ্য ফেরত দেয়া শুরু করলেও এখনো নানা জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। ব্যবসায়ীরা জানান, জটিলতা না কমলে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাবে। এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ চান তারা।

রপ্তানির জন্য চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোতে ছিল নিউ এশিয়া গ্রুপের তিন কারখানার সাড়ে তিন লাখ ডলারের পণ্য। তিন কনটেইনার ভর্তি এসব পণ্যের মধ্যে ছিল সোয়েটার ও আন্ডারগার্মেন্টস। গন্তব্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

নিউ এশিয়ার উদ্যোক্তারা জানান, আগুনে কনটেইনারের ক্ষতি হয়নি জানার পর, পণ্য ফেরত পেতে তৎপরতা শুরু করেন তারা। কাস্টমস, ডিপো, সিএন্ডএফ ও ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং এজেন্সির সঙ্গে দফায় দফায় যোগাযোগ করেন। নানা জটিলতা পেরিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কনটেইনার খুলতে ৪ জুলাই নিউ এশিয়া কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়।

উদ্যোক্তারা জানান, একই কনটেইনারে অনেক কারখানার পণ্য আছে। সব কারখানা উপস্থিত না থাকলে কনটেইনার খোলা সম্ভব হবেনা। এতে, পণ্য পেতে আরও দেরি হতে পারে।

বিজিএমইএ সহসভাপতি শহীদউল্লাহ আজীম বলেন, বিজিএমইএ-র হিসাবে, বিএম ডিপোতে একশ ৬২ কারখানার অক্ষত আছে ৮শ ১০ কনটেইনার। এর মধ্যে তিনশ ৯০টি রপ্তানির। আর বাকিগুলো আমদানির। পণ্য দ্রুত ফেরত পেতে সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজিএমইএ নেতারা। সেখানে একটি যৌথ কমিটি করে জটিলতা দূর করার সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে, কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিন জুলাই পর্যন্ত ১৬টি চালান ছেড়ে দেয়া হয়েছে। চার জুলাইও কিছু কারখানাকে চিঠি দেয়া হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ে কিছুটা সময় লাগছে।

উদ্যোক্তারা জানান, বিএম ডিপো বন্ধ থাকায় অন্যগুলোতে চাপ বেড়েছে। ফলে, পণ্য দ্রুত ফেরত পেলেও রপ্তানি হতে সময় লাগবে।