আইপিএলে দুর্দান্ত মোস্তাফিজ, দারুণ জয় দিল্লির

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

কলকাতাকে উদ্ধারের প্রথম চেষ্টা করে পঞ্চম উইকেটে শ্রেয়াস আইয়ার ও নিতীশ রানার জুটি, যাতে ৩৪ বলে ওঠে ৪৮ রান। ৩৭ বলে ৪২ রান করে ফেরেন শ্রেয়াস। ওই ওভারেরই ৩ বল পর আন্দ্রে রাসেলও কোনো রান না করেই কুলদিপ যাদবের শিকার হলে কলকাতার চাপ বাড়ে আরেকটু। এরপর তাদেরকে টানেন নিতীশ রানা ও রিংকু সিং, দুজনের জুটিতে ৩৫ বলে ওঠে ৬২ রান।

১৬ থেকে ১৯—এ ৪ ওভারে ৫৫ রান তোলে কলকাতা। শুরুর চাপ সামলে বেশ ভালো একটা সংগ্রহের পথেই এগোতে থাকা কলকাতাকে চেপে ধরেন মোস্তাফিজই। প্রথম ২ ওভারে ৭ রান দেওয়া বাঁহাতি পেসার ১৮তম ওভারে এসে দেন ১০ রান। তবে শেষ ওভারে চমক দেখান তিনি। ২০তম ওভারে ১৬ বলে ২৩ রান করা রিংকু সিংয়ের পর পরপর দুই বলে ফেরান ৩৪ বলে ৫৭ রান করা নিতীশ রানা ও টিম সাউদিকে। শেষ বলে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সামনে। হর্ষিত রানা হ্যাটট্রিক আটকালেও রান নিতে পারেননি শেষ বলে, একটি লেগবাইসহ সে ওভারে আসে মাত্র ২ রান।

১৮ রানে ৩ উইকেট, আইপিএলের এ মৌসুমে এটিই মোস্তাফিজের সেরা বোলিং। সব মিলিয়ে এ টুর্নামেন্টে তাঁর দ্বিতীয় সেরা বোলিং এটি, ২০১৬ সালে ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন মুম্বাইয়ের বিপক্ষে, সে সময় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলছিলেন।

মোস্তাফিজের অমন ওভারের পর অবশ্য ১৪৬ রান তাড়ায় শুরুতে ঠিক উজ্জীবিত হতে পারেনি দিল্লি। ইনিংসের প্রথম বলেই উমেশ যাদবের দারুণ ফিরতি ক্যাচে পরিণত হন পৃথ্বি শ। দুটি চারে ১৩ রান করা মিচেল মার্শও ফেরেন পরের ওভারে, ১৭ রানেই ২ উইকেট হারায় দিল্লি। তৃতীয় উইকেটে ডেভিড ওয়ার্নার ও ললিত যাদবের ৪৯ বলে ৬৫ রানের জুটি সে চাপ কমিয়ে আনে অনেকটাই। সে সময় সহজ জয়ের পথেই এগোচ্ছিল দিল্লি।

এ জয়ে ৮ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে উঠে এল মোস্তাফিজদের দিল্লি। অন্যদিকে কলকাতা হারল টানা ৫টি ম্যাচ।