অর্থনীতি নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: অর্থনীতি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে মনে করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। তিনি বলেন, গত অর্থবছর দেশের ১০ লাখ শ্রমিক বিদেশে কাজ নিয়েছেন। আগামীতে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে। এ ছাড়া ডলারের ওপর চাপ কমানো, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরি ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বিদেশি উৎস থেকে অতিদ্রুত ঋণ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

রোববার (১৪ আগষ্ট) রাজধানীতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘বেসরকারি খাতের দৃষ্টিতে ২০২১-২২ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

সংসদ সদস্য ও এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করা দরকার।

তিনি বলেন, সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অস্বস্তিকর। সরকার দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ভারত ও চীনের মতো বেশ কিছু দেশের সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মুদ্রা প্রবাহ স্থিতিশীল রেখে অর্থনীতির গতিধারা অব্যাহত রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহায়ক নীতিমালা অনুসরণ করছে।

দেশে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে ব্যবসায় ব্যয় বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তাঁর মতে, ব্যাংক এবং খোলাবাজারে ডলারের কেনাবেচায় বড় ধরনের ব্যবধান মুদ্রাবাজারকে অস্থির করছে। এই ব্যবধান এক টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।

মূল প্রবন্ধে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, জ্বালানি তেল এবং ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতির কারণে রপ্তানি যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।